1. [email protected] : শেয়ারখবর : শেয়ারখবর
  2. [email protected] : Admin : Admin
  3. [email protected] : muzahid : muzahid
  4. [email protected] : nayan : nayan
সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন

ধারাবাহিক সূচক পতন, দর বৃদ্ধিতে দুর্বল কোম্পানি

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৫ জুন, ২০২২
  • ২৭২ বার দেখা হয়েছে
DSE-2

সূচকের টানা পতনের মধ্য দিয়ে সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস গতকাল মঙ্গলবার পুঁজিবাজারের লেনদেন শেষ হয়। সূচকের সঙ্গে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদরও কমেছে। শেয়ার বিক্রির চাপের কারণে টাকার পরিমাণে লেনদেন বেড়েছে আগের কার্যদিবস থেকে।

বাজেট উপস্থাপনের দিন থেকে গতকাল পর্যন্ত টানা চার কার্যদিবস পতন হয়েছে পুঁজিবাজারে। এ সপ্তাহের তিন কার্যদিবসে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১১৮ পয়েন্ট হারিয়েছে। এর মধ্যে রোববার ৪৮, সোমবার ৩৯ ও মঙ্গলবার সূচক পড়ল আরও ৩০ পয়েন্ট।

বাজেট ঘোষণায়, আইপিওতে পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ারের মাধ্যমে হস্তান্তর হলে তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য করহার ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়। অর্থাৎ ১০ শতাংশ শেয়ার ছাড়া হয়েছে এমন কোম্পানির করপোরেট কর আড়াই শতাংশ কমানো ছাড়া পুঁজিবাজারের জন্য কোনো ঘোষণা না থাকার পর টানা তিন কর্মদিবস সূচকের পতন দেখলেন বিনিয়োগকারীরা।

বাজেটের পর থেকে পুঁজিবাজারে পতনের যে প্রবণতা লক্ষ্য করা যায় সে হিসেবে দুর্বল ও স্বল্প মূলধনি কোম্পানিগুলোর দর বৃদ্ধিতে দাপট ছিল বেশি।

দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় এমন সব কোম্পানি দেখা গেছে যেগুলোর লভ্যাংশের ইতিহাস খুব ভালো নয়, যাদের আয়ের কোনো ধারাবাহিকতা নেই। সবচেয়ে বেশি ৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ বেড়েছে শাইনপুকুর সিরামিকসের শেয়ারদরÑগত ১৪ এপ্রিলের পর প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। সেদিন শেয়ারদর ছিল ২৫ টাকা, মঙ্গলবার দাঁড়িয়েছে ৪৮ টাকা ৫০ পয়সায়। লোকসানের কারণে টানা সাত বছর লভ্যাংশ না দেয়া কোম্পানিটি গত দুই বছরে যথাক্রমে ২ ও আড়াই শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে।

মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের দর বেড়েছে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ। ওটিসি থেকে ফেরার পর মুন্নু ফেব্রিকস গত বছর কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। চলতি অর্থবছরে ১ শতাংশ, অর্থাৎ শেয়ার প্রতি ১০ পয়সা অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ দিয়েছে। গত তিন কার্যদিবসে শেয়ারদর বেড়েছে ৩০ শতাংশের মতো।

লোকসানের কারণে গত বছর লভ্যাংশ না দেয়া খান ব্রাদার্স চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত লোকসানে রয়েছে। এই কোম্পানিটির শেয়ারদর এক লাফে বেড়েছে ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ। আগের দিন দর ছিল ১১ টাকা ৬০ পয়সা, সেটি বেড়ে হয়েছে ১২ টাকা ৭০ পয়সা।

ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩০ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩৬১ দশমিক ৩৯ পয়েন্টে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৭ দশমিক ১৫ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৫১ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৬ দশমিক ০৬ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৬৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে এক হাজার ৩৮৭ দশমিক ৬৭ পয়েন্টে এবং দুই হাজার ৩০০ দশমিক ৯১ পয়েন্টে। টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ৮৭৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার, যা আগের কার্যদিবস থেকে ৭৬ কোটি ৭২ লাখ টাকা বেশি। আগের কার্যদিবস লেনদেন হয়েছিল ৭৯৮ কোটি ১৯ লাখ টাকার।

ডিএসইতে মোট ৩৮২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৯টির বা ২৩ দশমিক ২৯ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিটদর বেড়েছে। দর কমেছে ২৩৬টির বা ৬১ দশমিক ৭৮ শতাংশের এবং ৫৭টির বা ১৪ দশমিক ৯২ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটদর অপরিবর্তিত রয়েছে।

শেয়ার দিয়ে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ